আমরা আনন্দিত মাননীয় সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাহবুবুর রহমান, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি মহোদয়কে পেয়ে।

ডিজিটাল কনটেন্ট

প্রতিষ্ঠান প্রসঙ্গে

প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

প্রথম উদ্যোগ – ১৯৫৯ সালের তৎকালীন ক্যান্টনমেন্ট এক্সিকিউটিভ অফিসার মহিউদ্দিন জিলানীর উদ্যোগে মিস নাইটিংগেল, মিস রামবোল্ড, মিসেস ঊষা রবিনসন, মিঃ নেলসন ও প্রভা মজুমদারের সহযোগিতায় স্কুল তৈরির প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়।
প্রথম স্থান – স্কুলের জায়গা নির্ধারণ করা হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত এয়ার বেসের বিমান বন্দরে (বর্তমান পান্থপাড়া মানিক শাহ দরগার সামনে) ব্রিটিশদের গুদামে।
দাতা – মেসার্স দাউদ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিস কর্তৃক ১৯৫৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা ব্যয়ে বর্তমান স্থানে বিদ্যালয়ের মূল ভবন নির্মিত হয়।
জমির পরিমাণ – ১৮.৭১ একর।
নামকরণ – প্রতিষ্ঠানের প্রধান দাতা দাউদ খানের নাম অনুসারে দাউদ পাবলিক স্কুল নামকরণ করা হয়।
ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন – তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল মোহাম্মদ আয়ুব খান।

[read more=”বিস্তারিত পড়ুন” less=”বন্ধ করুন”]

প্রথম প্রিন্সিপাল – মিস কে এন রামবোল্ড।
প্রথম ক্লাস – ১৯৬১ সালের ১৭ জুন।
প্রথম ম্যাট্রিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ – ১৯৬৪।
একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি অনুমোদন – ১৯৬৯ ও ১৯৭০ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ড যথাক্রমে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি মানবিক বিভাগের অনুমোদন দেয়।
বিজ্ঞান বিভাগ – ১৯৭৭ সালে বিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়।
হাউস – বর্তমানে নজরুল, মধুসূদন ও শহীদুল্লাহ নামে তিনটি হাউস রয়েছে।
নার্সারী ও কেজি শ্রেণি পৃথক হওয়া – ১৯৯৫ সালে অত্র স্কুলের নার্সারী ও কেজি শ্রেণি দুটি আলাদা হয়ে সেনানিবাসের অভ্যন্তরে পরশমনি কিন্ডার গার্টেন (বর্তমানে যশোর ইন্টারন্যাাশনাল ইংলিশ স্কুল এন্ড কলেজ) নামে আলাদা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

কলেজ সেকশন পৃথক হওয়া – ১৯৮৩ সালে দাউদ পাবলিক স্কুল থেকে কলেজ সেকশন আলাদা হয়ে ক্যান্টনমেন্ট কলেজ নামে পৃথক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
পুনরায় কলেজ সেকশন চালু হওয়া – ০১/০৭/২০১৫ তারিখ থেকে দাউদ পাবলিক স্কুলে কলেজ সেকশন পুনরায় চালু হয়। ২৮/১২/২০১৪ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাভ করে এবং নতুন নামকরণ হয় দাউদ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ
প্রাথমিক শাখা (১ম-৫ম) ০১/১১/২০১৭ হতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের মটো : উন্নত মম শির

ক) প্রতিষ্ঠানের শ্রেণী ও শাখা: ১২টি শ্রেণী ও ৪৭টি শাখা ( প্রথম হতে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত)
খ)প্রতিষ্ঠানে চালুকৃত শিফট : ১টি
সময় : ৮.০০ থেকে ২.০০ মি: পর্যন্ত

প্রতিষ্ঠানের ভবন, কক্ষ বাসস্থান পরিচিতি
ভবন সংখ্যা : ১০টি ল্যাবরেটরী : ৮টি
অধ্যক্ষ এর আবাসিক ভবন : ১টি হোস্টেল বিল্ডিং (পুরাতন) : ১টি
অধ্যক্ষ এর অফিস : ১টি শ্রেণী কক্ষ : ৩১টি
শিক্ষকের আবাসিক ভবন : ১টি শিক্ষক মিলনায়তন : ৪টি
সহঃ প্রঃ শিক্ষকের অফিস : ১টি অন্যান্য কক্ষ : ৫টি
অফিস কক্ষ : ১টি লাইব্রেরী : ১টি
হলরুম : ১টি ক্যান্টিন : ১টি
অভিভাবক বিশ্রামগার : ২টি টয়লেট : ৯টি কক্ষে ৪৫ টি
একাডেমিক কার্যক্রম

সেনাসদর শিক্ষা পরিদপ্তর, ঢাকা সেনানিবাস কর্তৃক প্রণীত পাবলিক স্কুল ও কলেজের একাডেমিক ক্যালেন্ডার, সিলেবাস ও প্রমোশন নীতিমালা অনুসরণ করা হয়।
নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল-শিক্ষা বোর্ডের নীতিমালা অনুযায়ী তৈরী করা হয়।
লেসন প্লান, মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার, অত্যাধুনিক ল্যাব, প্রশিক্ষিত শিক্ষক-শিক্ষিকা, গাইড শিক্ষক দ্বারা পরিচর্যা, পর্যাপ্ত লাইব্রেরী সুবিধা, অভিভাবকের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে সুশিক্ষিত ও আলোকিত মানুষ তৈরীতে নিয়োজিত।

সাম্প্রতিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম

** স্কুল ভবনে কম্পিউটার ল্যাব তৈরী ও আধুনিকায়ণ।

** প্রবেশ দ্বার ডেকোরেশন।

** বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ।

** খেলার মাঠ উন্নয়ন ও বিন্যাস।

** প্রাথমিক শাখার বাইটস সামগ্রী ক্রয়।

** অফিস বিন্যাস।

** অভিন্ন পতাকা স্ট্যান্ড।

** ৫টি এসি সংযুক্ত ২টি আইসিটি ল্যাবের জন্য।

** পত্রিকা স্ট্যান্ড স্থাপন।

তহবিল ব্যবস্থাপনা :

বেতন ও অন্যান্য ফিসের বিবরণ-

সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, ঢাকা সেনানিবাসের (কিউএমজি মহোদয়ের পরামর্শে) ১৩/১০/২০১৬ তারিখের পত্রানুযায়ী এবং যশোর সেনানিবাসের জিওসি মহোদয়ের নির্দেশক্রমে নির্ধারিত হারে মাসিক বেতন ও সেশন চার্জ ধার্য করা হয়েছে।

নতুন ক্যাম্পাসে স্থানান্তর

ক্যান্টনমেন্টের নিরাপত্তা, যোগাযোগ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় এনে প্রাক্তন জিওসি (বর্তমান সিজিএস) মহোদয় প্রতিষ্ঠানটিকে বাইপাস সড়কে স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করেছিলেন যা অত্যন্ত বাস্তবসম্মত। প্রায় ৫০ কোটি টাকা সরকারী প্রকল্প(ডিপিপি) অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন।

[/read]